আমাদের পরিচয়

Livesport — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম

২০১৮ সাল থেকে Livesport বাংলাদেশের লক্ষাধিক খেলোয়াড়ের পাশে আছে। ক্রিকেট থেকে ক্যাসিনো — সব কিছু এক জায়গায়, বাংলায়, বাংলাদেশিদের কথা মাথায় রেখে।

২০১৮ প্রতিষ্ঠার বছর
৫ লাখ+ নিবন্ধিত সদস্য
২,৫০০+ গেম ও স্পোর্টস মার্কেট
২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট
৯৮% পেমেন্ট সাফল্যের হার

আমরা কারা, কেন Livesport তৈরি হয়েছিল?

২০১৮ সালে যখন Livesport যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল বিদেশি সাইটে যাওয়া, ইংরেজিতে হিমশিম খাওয়া এবং বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট করতে না পারার হতাশা। একদল মানুষ মিলে ভাবলেন — এটা বদলানো দরকার। বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের ভাষায়, বাংলাদেশি পেমেন্ট সিস্টেমে একটা প্ল্যাটফর্ম হওয়া উচিত।

সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় Livesport। শুরুতে ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল, কারণ এই দেশে ক্রিকেট মানেই উৎসব। বিপিএল, টেস্ট ম্যাচ, এশিয়া কাপ — প্রতিটি ম্যাচে বাংলাদেশের কোটি মানুষের হৃদয় স্পন্দিত হয়। Livesport সেই আবেগকে সম্মান করে এবং সেই অভিজ্ঞতাকে আরো রোমাঞ্চকর করে তুলতে কাজ করে।

আজ Livesport শুধু বেটিং সাইট নয়। এটা একটা সম্প্রদায় — যেখানে লাখো বাংলাদেশি প্রতিদিন তাদের প্রিয় খেলা উপভোগ করেন, জেতার আনন্দ ভাগ করে নেন এবং নিরাপদ পরিবেশে বিনোদন খোঁজেন।

"আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন সবার অধিকার। Livesport সেই বিনোদনকে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

আমাদের লক্ষ্য ও দর্শন

তিনটি মূলনীতিতে পরিচালিত Livesport

নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ

Livesport-এ প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড এবং প্রতিটি গেমের ফলাফল যাচাইযোগ্য। কোনো লুকানো শর্ত নেই — যা বলা হয়, তাই পাবেন।

খেলোয়াড়কেন্দ্রিক সেবা

সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা ভাবি — খেলোয়াড়ের কী দরকার? বাংলায় সাপোর্ট, মোবাইল পেমেন্ট, সহজ ইন্টারফেস — সবকিছু বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা ভেবে।

ক্রমাগত উন্নতি

Livesport থেমে থাকে না। প্রতি মাসে নতুন গেম, নতুন ফিচার, নতুন প্রোমোশন — কারণ আমরা বিশ্বাস করি আজকের অভিজ্ঞতা আরো ভালো হতে পারে।

কেন Livesport বেছে নেবেন?

এই ছয়টি কারণ Livesport-কে বাকি সবার থেকে আলাদা করে

মোবাইল পেমেন্ট

বিকাশ, নগদ ও রকেটে পেমেন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিগুলো সবই Livesport-এ সমর্থিত। ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল মিনিটের মধ্যে।

লাইভ বেটিং

ম্যাচ চলাকালীন বেট করুন

প্রতিটি বল, প্রতিটি গোলে রিয়েল-টাইম অডস আপডেট হয়। লাইভ স্কোর দেখতে দেখতে সিদ্ধান্ত নিন।

বাংলা ভাষা

সম্পূর্ণ বাংলায় সেবা

ওয়েবসাইট, সাপোর্ট, প্রোমোশন — সবকিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।

নিরাপত্তা

সর্বোচ্চ ডেটা সুরক্ষা

SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ দিয়ে আপনার তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়।

বিশাল গেম লাইব্রেরি

২,৫০০+ গেম ও স্পোর্টস

ক্রিকেট, ফুটবল, স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, জ্যাকপট — সব ধরনের বিনোদন এক প্ল্যাটফর্মে।

সাপোর্ট

২৪/৭ বাংলা লাইভ চ্যাট

রাত ৩টায় সমস্যা হলেও চিন্তা নেই। Livesport-এর সাপোর্ট টিম সারাদিন সারারাত আপনার পাশে।

আমাদের যাত্রার গল্প

শুরু থেকে আজ পর্যন্ত Livesport-এর পথচলা

২০১৮
Livesport-এর জন্ম

ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম তিন মাসে ১০,০০০ সদস্য নিবন্ধন।

২০১৯
মোবাইল পেমেন্ট চালু

বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন — বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে।

২০২০
লাইভ ক্যাসিনো ও স্লট

স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি ক্যাসিনো বিভাগ চালু। সদস্য সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১ লাখ।

২০২২
ভিআইপি প্রোগ্রাম লঞ্চ

পাঁচ-স্তরের ভিআইপি সিস্টেম চালু করা হয়। নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ পুরস্কার।

২০২৬
৫ লাখ সদস্যের মাইলফলক

বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন বেটিং সম্প্রদায় — ৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য।

আমাদের মূল মূল্যবোধ

এই পাঁচটি নীতিতে Livesport পরিচালিত হয়

বিশ্বস্ততা সর্বাগ্রে

কথা দিলে রাখি। প্রতিটি বোনাস, প্রতিটি উইথড্রয়াল — নিয়ম অনুযায়ী, সময়মতো। এটাই Livesport-এর ভিত্তি।

স্বচ্ছতা সব সময়

কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো অস্পষ্ট শর্ত নেই। Livesport-এ সব কিছু পরিষ্কার ভাষায় বলা থাকে।

দায়িত্বশীল গেমিং

আনন্দ যেন কষ্টে পরিণত না হয়। Livesport সেলফ-এক্সক্লুশন, ডিপোজিট সীমা ও সচেতনতামূলক সব সরঞ্জাম দেয়।

উদ্ভাবন ও বিকাশ

বাজার পরিবর্তিত হয়, খেলোয়াড়ের চাহিদা বদলায়। Livesport সেই পরিবর্তনের সাথে এগিয়ে চলে।

সম্প্রদায়ের শক্তি

Livesport একা নয় — এটা লাখো খেলোয়াড়ের একটি পরিবার। প্রতিটি সদস্যের মতামত আমাদের উন্নতিতে কাজে আসে।

দায়িত্বশীল গেমিং — Livesport-এর প্রতিশ্রুতি

অনলাইন বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম — এটা জীবিকার বিকল্প নয়। Livesport এই সত্যটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়। আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় সীমার মধ্যে থেকে আনন্দ উপভোগ করুন।

সে কারণেই Livesport-এ ডিপোজিট সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে। কতটুকু খেলবেন সেটা আপনি নিজেই ঠিক করে দিতে পারেন — দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক সীমা। সেলফ-এক্সক্লুশন অপশনও আছে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা যায়।

কেউ যদি মনে করেন গেমিং তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, Livesport-এর সাপোর্ট টিম সবসময় শুনতে প্রস্তুত। দায়িত্বশীল গেমিং বিভাগে আরো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

Livesport কি লাইসেন্সপ্রাপ্ত?

Livesport আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়। এই লাইসেন্স নিশ্চিত করে যে প্রতিটি গেমের ফলাফল RNG (Random Number Generator) প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ এলোমেলোভাবে নির্ধারিত হয় — কেউ ইচ্ছামতো ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

তৃতীয় পক্ষের অডিটিং ফার্ম নিয়মিত Livesport-এর পেআউট রেট ও গেম ফেয়ারনেস যাচাই করে। এই যাচাইয়ের প্রতিবেদন সাইটে প্রকাশ করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই আস্থার ভিত্তি।

Livesport-এ ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করা হয় না। SSL এনক্রিপশন ও কঠোর গোপনীয়তা নীতি মেনে প্রতিটি সদস্যের তথ্য সুরক্ষিত রাখা হয়।

আমাদের দলের পরিচয়

Livesport-এর পেছনে যে মানুষগুলো আছেন

রাশেদ আহমেদ
প্রধান নির্বাহী

১৫ বছরের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা। Livesport-এর স্বপ্নদ্রষ্টা।

সাবরিনা ইসলাম
পণ্য পরিচালক

ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করেন প্রতিদিন।

তানভীর হাসান
প্রযুক্তি প্রধান

Livesport-এর নিরাপদ ও দ্রুত প্রযুক্তি অবকাঠামোর নির্মাতা।

মাহমুদা বেগম
গ্রাহক সেবা প্রধান

৫০+ সদস্যের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন।

আজই হয়ে যান Livesport পরিবারের একজন

৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি ইতিমধ্যে Livesport-এ আছেন। নিবন্ধন করুন, স্বাগত বোনাস নিন এবং রোমাঞ্চকর বেটিং অভিজ্ঞতা শুরু করুন।

সাধারণ প্রশ্ন

লগইন পেজে "পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?" লিঙ্কে ক্লিক করুন। রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর বা ইমেইল দিলে একটি ওটিপি (OTP) কোড পাঠানো হবে। কোডটি দিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন — পুরো প্রক্রিয়া মাত্র কয়েক মিনিটের। যদি মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে অ্যাক্সেস না থাকে, তাহলে সরাসরি Livesport লাইভ চ্যাট সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। পরিচয় যাচাই হলে সাপোর্ট টিম ম্যানুয়ালি রিসেট করতে সাহায্য করবে।

KYC (Know Your Customer) যাচাইয়ের জন্য সাধারণত তিন ধরনের নথি লাগে: প্রথমত পরিচয়পত্র — জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্পষ্ট ছবি। দ্বিতীয়ত ঠিকানা প্রমাণ — বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট (তিন মাসের মধ্যের)। তৃতীয়ত পেমেন্ট মেথড যাচাই — যে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে ডিপোজিট করেছেন, সেই নম্বরটি আপনার NID-তে নিবন্ধিত থাকলে ভালো। ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার পর সাধারণত ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়।
English